ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ: সার্চ কমিটির বৈঠক আজ মৃত্যুদণ্ড থেকে ‘আমৃত্যু’ কারাবাস: চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আপিল বিভাগ গ্রাহকদের রেমিট্যান্স সুবিধা আরও সহজ করতে চুক্তিবদ্ধ হলো নগদ ও রূপালী ব্যাংক বাংলাদেশে নতুন ‘শাইন ১০০ ডিএক্স’ নিয়ে এলো হোন্ডা ঘুমাচ্ছেন নাকি ক্লান্ত হচ্ছেন? স্বপ্ন দেখার পেছনে লুকিয়ে থাকা আসল বিজ্ঞানটি জানুন আগোরাতে অ্যাকাউন্টস বিভাগে নিয়োগ নিটোল-নিলয় গ্রুপে চমত্কার ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ; সাথে থাকছে নিশ্চিত বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট! বেসরকারি ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, আবেদনের শেষ সময় ৯ জুলাই মরক্কোর বিপক্ষে ড্র ব্রাজিলের নবীনগরে দেড় লাখ টাকার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে দর্শকদের ঢল

গর্তে ভরা নবীনগর-আশুগঞ্জ সড়ক

  • থিম বিক্রয়
  • আপডেট সময় ০২:১০:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

কাগজে-কলমে শত শত কোটি টাকার উন্নয়ন হলেও বাস্তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর-আশুগঞ্জ মহাসড়ক এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। টানা বর্ষণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধস ও ক্ষয় দেখা দিয়েছে, ফলে পুরো সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বিপর্যস্ত অবস্থা।

প্রকল্পের ব্যয় ৪২১ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৬০৪ কোটিতে পৌঁছালেও ভোগান্তির শেষ নেই। বর্ষা এলেই নির্মাণের দুর্বলতা, অব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘসূত্রতার চিত্র আবারও সামনে আসে।

সরেজমিনে নবীনগর-কৃষ্ণনগর এলাকায় দেখা গেছে, ৬০ ফুট প্রশস্ত সড়কের প্রায় পুরো অংশই ক্ষতিগ্রস্ত। কোথাও বড় গর্ত, কোথাও মাটি সরে গিয়ে ভয়াবহ ধসের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যেকোনো সময় সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত থাকায় যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী ও পরিবহন শ্রমিকরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি এবং তদারকির অভাবেই সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের এমন বেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, প্রতিবছর একই সমস্যা দেখা দিলেও স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয় না।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে এ সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা, ধীরগতির কাজ এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে। ইতোমধ্যে একাধিকবার সময় ও ব্যয় বাড়ানো হলেও কাজ শেষ হয়নি।

শনিবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান। তিনি সড়কের বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন এবং ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার কথা জানান। এ সময় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ: সার্চ কমিটির বৈঠক আজ

গর্তে ভরা নবীনগর-আশুগঞ্জ সড়ক

আপডেট সময় ০২:১০:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

কাগজে-কলমে শত শত কোটি টাকার উন্নয়ন হলেও বাস্তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর-আশুগঞ্জ মহাসড়ক এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। টানা বর্ষণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধস ও ক্ষয় দেখা দিয়েছে, ফলে পুরো সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বিপর্যস্ত অবস্থা।

প্রকল্পের ব্যয় ৪২১ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৬০৪ কোটিতে পৌঁছালেও ভোগান্তির শেষ নেই। বর্ষা এলেই নির্মাণের দুর্বলতা, অব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘসূত্রতার চিত্র আবারও সামনে আসে।

সরেজমিনে নবীনগর-কৃষ্ণনগর এলাকায় দেখা গেছে, ৬০ ফুট প্রশস্ত সড়কের প্রায় পুরো অংশই ক্ষতিগ্রস্ত। কোথাও বড় গর্ত, কোথাও মাটি সরে গিয়ে ভয়াবহ ধসের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যেকোনো সময় সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত থাকায় যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী ও পরিবহন শ্রমিকরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি এবং তদারকির অভাবেই সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের এমন বেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, প্রতিবছর একই সমস্যা দেখা দিলেও স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয় না।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে এ সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা, ধীরগতির কাজ এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে। ইতোমধ্যে একাধিকবার সময় ও ব্যয় বাড়ানো হলেও কাজ শেষ হয়নি।

শনিবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান। তিনি সড়কের বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন এবং ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার কথা জানান। এ সময় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।