বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন

নিকলিতে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪৭৬ মিলিমিটার বৃষ্টি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, প্রতিদিনের বার্তা / ১৩৯ বার
আপডেট : শুক্রবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৩
নিকলিতে_গত_২৪_ঘণ্টায়_সর্বোচ্চ_৪৭৬_মিলিমিটার_বৃষ্টি
ছবি: সংগৃহীত

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: গত ২৪ ঘণ্টায় কিশোরগঞ্জের নিকলিতে লঘুচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে চলতি বর্ষা মৌসুমের সর্বোচ্চ ৪৭৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে গত দুদিন ধরে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরে জারি থাকা ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলা হয়েছে শুক্রবার দুপুরের পর। দেশের পূর্বাংশ থেকে এরই মধ্যে বৃষ্টি কিছুটা কমতে শুরু করেছে। শনিবার বিকেলের পর বৃষ্টি কিছুটা ঢাকায়ও কমে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিস।

ভারী বর্ষণের সতর্কবাণীতে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছিল, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে শুক্রবার দুপুর ১২টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার) থেকে (৮৯ মিলিমিটার বা তার বেশি) অতিভারী বর্ষণ হতে পারে।

শুক্রবার রাতে আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জাগো নিউজকে বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় নিকলিতে ৪৭৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এ বর্ষা মৌসুমে এত বৃষ্টি আর কোথাও হয়নি, এটাই সর্বোচ্চ বৃষ্টি।

তিনি বলেন, বৃষ্টি দেশের পূর্বাংশ থেকে কমে আসছে। আজকে রংপুরে সামান্য বৃষ্টি হয়েছে। রাজশাহীর বগুড়ায় কিছুটা বৃষ্টি ছিল। এটাকে চলতি বর্ষা মৌসুমের শেষ বৃষ্টি বলা যায়। কারণ দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নেওয়ার সময় হয়েছে। এরপর বর্ষা পরবর্তী মৌসুম হেমন্তকাল শুরু হবে।

‘ঢাকায় বৃষ্টি কালকে (শনিবার) বিকেলের দিকেই কমে যাবে। এরপর হয়তো হালকা কিছু বৃষ্টি হলেও হতে পারে। তবে ব্যাপক পরিসরে আর হবে না।’

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল বিভাগ ছাড়া অন্যান্য বিভাগের কয়েকটি স্থানে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে ময়মনসিংহে ৩৪০, নেত্রকোনায় ৩১১, সিলেটে ১৩৬, কক্সবাজারে ৯১ ও যশোরে ৯৯ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে- ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়- খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে।

তবে রোববার ময়মনসিংহ ও সিলেট এবং সোমবার সিলেট বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা বেশি থাকতে পারে। অন্যান্য বিভাগে বৃষ্টি কমে যেতে পারে। ওই সময় সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলেও পূর্বাভাসে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

লঘুচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সারাদেশে বৃষ্টি হচ্ছে। গত দু-দিন ধরে বৃষ্টির প্রবণতা বেশি। এত বেশি বৃষ্টি ভরা বর্ষা মৌসুমেও হয়নি বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।


এ জাতীয় আরো সংবাদ