তারাগঞ্জে লাইসেন্সবিহীন ফার্মেসির ছড়াছড়ি

রংপুর

তারাগঞ্জ, রংপুর প্রতিনিধি.

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজার, রাস্তার আশেপাশে, অলিতেগলিতে অনেক বাড়িতে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে শত শত ওষুধের অবৈধ দোকান। কিছু সংখ্যক ব্যতীত অধিকাংশ ফার্মেসির ড্রাগ লাইসেন্স ও বৈধ কাগজপত্র নেই বলে অভিযোগ উপজেলাবাসীর।  সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে যত্রতত্র গড়ে উঠেছে ওষুধের দোকান। অথচ অধিকাংশ ফার্মেসি মালিকেরই নেই ড্রাগ লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। যাদের ড্রাগ লাইসেন্স আছে তাদের মধ্যে অনেকেরই রয়েছে নবায়ন জটিলতা। শুধু তাই নয় এদের অনেকেরই নেই কোন প্রশিক্ষণ সনদ ও নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা।        উপজেলার অনেক ফার্মেসিতে দেখা গেছে, হিউম্যান মেডিসিনের পাশাপাশি তারা অবাধে বিক্রি করছে ভেটেরিনারি মেডিসিন। যা ওষুধ প্রশাসনের সম্পূর্ণ নীতিমালা বহির্ভূত। আবার দেখা গেছে অনেক ফার্মেসির মালিক ভিডি, এলএমএএফ, আরএমপিসহ নানাবিধ ডিগ্রী ব্যবহার করে তাদের নামের পূর্বে ডাক্তার শব্দটি জুড়ে দিয়ে নিয়মিত রোগী দেখে যাচ্ছেন।   জ্বর, ঠান্ডা, কাশি থেকে শুরু করে অনেক জটিল রোগও এদের কাছে যেন সাধারণ বিষয়। এদের কথা শুনে মনে হবে এরা যেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের চেয়েও বেশি জানে। আবার অনেক ফার্মেসির মালিক নিজেদেরকে ডাক্তার দাবি করে রোগীদের কাছ থেকে যথারীতি নিচ্ছেন ভিজিট। এন্টিবায়োটিক ব্যবহারে এরা সিদ্ধহস্ত। এদের অপচিকিৎসায় রোগীরা সাময়িক উপসম পেলেও পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্ত হন অনেক বেশি। তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোস্তফা জামান চৌধুরী বলেন, ড্রাগ লাইসেন্স বিহীন কেউ ফার্মেসি দিলে তা হবে আইনের পরিপন্থী। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমিনুল ইসলাম বলেন, মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে ড্রাগ লাইসেন্স বিহীন ফার্মেসির বিরুদ্ধে অচিরেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *